বিদ্যুৎ বিভাগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১২ জানুয়ারি ২০১৫

মাতারবাড়ি ২ x ৬০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট

 

প্রকল্প পরিচিতিঃ

কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল), ০৫ই সেপ্টেম্বর ২০১১ইং তারিখে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী হিসাবে যাত্রা শুরু করে। ইহার প্রধান উদ্যোগ হইল চট্টগ্রামের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবারি এবং ধলঘাটা ইউনিয়নে একটি ২x৬০০ মেঃওঃ কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা। প্রকল্পের পরিবেশ প্রভাব মূল্যায়ন (ইআইএ) এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন করা হয় ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে। মাতারবারি ২x৬০০ মেঃওঃ প্রকল্পের অর্থায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার মধ্যে ঋনচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় জুন, ২০১৪ সালে। প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপি অনুযায়ী মোট ব্যয় হইবে ৩৫,৯৮৪.৪৬ কোটি টাকা। প্রকল্পের জন্য কয়লা আমদানী, কয়লা স্টোরেজ, জেটি ও কয়লা হ্যান্ডলিং সুবিধা, পাওয়ার পস্ন্যান্ট, শহর উন্নয়ন, পল্লী বিদ্যুতায়ন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন এবং সড়ক যোগাযোগ নির্মাণ কাজ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত।

 

মাতারবারি কয়লা ভিত্তিক প্রকল্পে আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য প্ল্যান্টের নেট দক্ষতা ৪৪% হইবে বলিয়া আশা করা যায়, অর্থাৎ কম পরিমাণে কয়লা খরচ ও কার্বন ডাই অক্সাসাইড নির্গমন। এই প্ল্যান্টে উচ্চ মানের যন্ত্রপাতি ও উপকরন ব্যবহারের ফলে প্রচলিত কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় সর্বনিম্ন বায়ু দুষন, কম NOx নির্গমন, দুই পর্যায়ের কম NOx দহনকারী বার্নার সংস্থান করা হইবে। SOx উৎপাদন কমাইতে বা নিয়ন্ত্রণ করিতে সী-ওয়াটার টাইপ ডি-সালফারাইজেশন প্ল্যান্ট স্থাপন করা হইবে। ফ্ল্যাই-অ্যাস উৎপাদন কমাইতে/নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক নিয়ম ও প্রবিধান অনুযায়ী ইলেকট্রষ্ট্যাটিক প্রেসিপিটেটর ব্যবহার করা হইবে। সর্বসাকুল্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিধি প্রবিধান এবং মান অনুযায়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ এবং পরিচালনা করা হইবে।

 

প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিদ্যুৎ চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি কমানো, মানব সম্পদ বিকাশ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হইবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি স্থানান্তরের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হইবে।

 

প্ল্যান্টটি বেইজ লোডে পরিচালিত হইবে এবং মাতারবারিতে আমদানীকৃত কয়লা ব্যবহারে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হইবে। প্রস্তাবিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র হইতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সংযুক্ত করা হইলে বিদ্যুতের ঘাটতি এবং দেশের বিশেষ করে দক্ষিন-অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরন করা হইবে। এটি সারাদেশে নির্ভরযোগ্য ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করিতে অবদান রাখিবে।

 

মাইলস্টোনঃ

ক) প্রকল্পের অগ্রগতিঃ

ক্রমিক নং

কার্যক্রম

সময়কাল

০১

সম্ভাব্যতা পরীক্ষা

সেপ্টেম্বর/২০১৩ইং

০২

EIA রিপোর্ট অনুমোদন

অক্টোবর/২০১৩ইং

০৩

ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত

জুন/২০১৩ইং

০৪

DPP অনুমোদন

আগষ্ট/২০১৪ইং

০৫

ভুমি অধিগ্রহণ সমাপ্ত

আগষ্ট/২০১৪ইং

০৬

আবাসিক ও টাউনশীপ ডেভেলপমেন্ট-এর জন্য সার্ভে, মাস্টার প্ল্যান লে-আউট, ড্রয়িং, ডিজাইন ইত্যাদি কাজ

চলমান

০৭

সীমানা পিলার স্থাপন

চলমান

০৮

Consultant(Plant & Port) নির্বাচন

জানুয়ারি/২০১৫ইং

 

খ) প্রকল্পের সিডিউল (টেনটিটিভ):

ক্রমিক নং

কার্যক্রম

সময়কাল

০১

সর্ট লিষ্টিং EPC ঠিকাদার

জুন/২০১৫ইং

০২

বেসিক ডিজাইন এবং বিডিং ডকুমেন্ট তৈরীকরন

নভেম্বর/২০১৫ইং

০৩

EPC ঠিকাদার নির্বাচন

জুলাই/২০১৬ইং

০৪

পোর্ট, হারবার এবং সিভিল ওয়ার্কস সমাপ্ত করন

জুন/২০১৯ইং

০৫

টেস্টিং ও কমিশন (ইউনিট-১)

এপ্রিল/২০২২ইং

০৬

টেস্টিং ও কমিশন (ইউনিট-২)

অক্টোবর/২০২২ইং

 

প্রকল্প অগ্রগতির ছবি দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুণ। 


Share with :
Facebook Facebook